তেহরানসহ ইরানের শহরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত; নেপথ্যে সৌদি আরবেরও প্রভাব থাকার কথা প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
নিজস্ব প্রতিবেদক
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন শহরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন। হামলায় খামেনির মেয়ে, জামাতা ও নাতিও প্রাণ হারিয়েছেন। ইরানি সূত্রে জানা গেছে, দেশজুড়ে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট এবং বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার নেপথ্যে ইসরায়েল ও সৌদি আরবের যৌথ চাপ কাজ করেছে। সৌদি যুবরাজ প্রকাশ্যে হামলা না করার পরামর্শ দিলেও, প্রাইভেট বৈঠকে তিনি ট্রাম্পকে ইরানে হামলা চালানোর জন্য উৎসাহিত করেছিলেন।
হামলার আগে খামেনি নিরাপদ স্থানে দুই সিনিয়র উপদেষ্টা আলি লারিজানি ও আলি শামখানির সঙ্গে বৈঠক করছিলেন। ওয়াশিংটন পোস্ট প্রতিবেদনে ইসরায়েল-সৌদি জোটকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের অস্বাভাবিক মার্কিন মিত্র’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে সরকার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত হামলা অব্যাহত থাকবে।
ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি
