- রিটার্নিং কর্মকর্তা বলছেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে
অনলাইন ডেস্ক
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত লাভজনক পদে বহাল থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। তিনি হলফনামায় এসব পদে থাকার তথ্য গোপন করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে, যা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর বিধান লঙ্ঘন।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বগুড়া শহর জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আলমগীর হোসাইন বগুড়া জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, মীর শাহে আলম বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) পরিচালক পদে বহাল থেকে নির্বাচন করছেন।
কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে কেউ ছাড় পাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মীর শাহে আলম বিসিকের পরিচালক পদ থেকে ইস্তফা না দিয়েই প্রার্থী হয়েছেন। প্রমাণ হিসেবে গত ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত বিসিক পরিচালনা পর্ষদের ৮৩৪তম সভার নোটিশে তার নাম সরকার মনোনীত পর্ষদ সদস্য হিসেবে রয়েছে। শিল্প সচিব ও বিসিক চেয়ারম্যান কার্যালয় থেকেও তার পদত্যাগের কোনো নথি পাওয়া যায়নি।
একইভাবে, বিআরটিসির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি এখনও প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক পদে বহাল আছেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, মীর শাহে আলম শিবগঞ্জের অন্তত ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মাজার ও মসজিদ কমিটির সভাপতি পদেও আছেন, যা হলফনামায় উল্লেখ করেননি।
বগুড়া জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. তৌফিকুর রহমান জানান, প্রার্থীর হলফনামায় সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত পদ থেকে ইস্তফার কোনো দালিলিক প্রমাণ সংযুক্ত হয়নি। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে যাচাই করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আইন অনুযায়ী তথ্য গোপন বা লাভজনক পদে বহাল থাকার প্রমাণ পেলে প্রার্থিতাকে বাতিল করা হতে পারে।
অভিযোগের বিষয়ে মীর শাহে আলমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আরও দেখুন:-
এপস্টেইনের ফাইল কি? ফাইল প্রকাশে মার্কিন রাজনীতিতে কেন এতো অস্বস্তি?
কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে কেউ ছাড় পাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
এপস্টেইনের ফাইল কি? ফাইল প্রকাশে মার্কিন রাজনীতিতে কেন এতো অস্বস্তি?