হামলার অভিযোগে থানার সামনে সড়ক অবরোধ, ওসি প্রত্যাহারের দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
পটুয়াখালী–২ (বাউফল) আসনের নদীবেষ্টিত চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনি মিছিলে বিএনপির নেতা-কর্মীদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (তারিখ) দুপুরে এ ঘটনায় অন্তত ৪০ জন আহত হন। পরবর্তী পাল্টাপাল্টি হামলা ও ধাওয়ায় আরও ১০ জন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে বেশির ভাগই জামায়াতের নেতা-কর্মী। তাঁদের মধ্যে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আনিচুর রহমান ও সেক্রেটারি মো. আমিনুল রয়েছেন। গুরুতর আহত তিনজনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের অন্তত ২৫ জন বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী ও জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলাম (মাসুদ)-এর সমর্থকেরা সকাল ১০টার দিকে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চরওয়াডেল খানকা এলাকা থেকে মিছিল শুরু করেন। দুপুরে ভান্ডারি বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক দল ও শ্রমিক দলের কয়েকজন নেতার নেতৃত্বে ৪০–৫০ জন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে পেছন থেকে হামলা চালায়। এতে মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় এবং সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।
হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে স্বেচ্ছাসেবক দল ও শ্রমিক দলের নেতারা বলেন, তারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন।
ঘটনার প্রতিবাদে বিকেলে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা উপজেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল করেন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ হয়, এতে আরও অন্তত ১০ জন আহত হন। পরে জামায়াতের কর্মী-সমর্থকেরা বাউফল থানার সামনে সড়ক অবরোধ করে ওসি প্রত্যাহারের দাবিতে অবস্থান নেন।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ গুরুত্বসহকারে দেখছে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
বৈষম্যের রাজনীতি ভেঙে ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ার অঙ্গীকার নাহিদ ইসলামের
আওয়ামী লীগ বাদে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না: সিপিডি
বৈষম্যের রাজনীতি ভেঙে ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ার অঙ্গীকার নাহিদ ইসলামের
আওয়ামী লীগ বাদে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না: সিপিডি