নির্বাচনে ধর্ম ও ব্যক্তিগত তথ্যের সুষ্ঠু ব্যবহারের নিশ্চয়তা দাবি বিএনপির
নিজস্ব প্রতিবেদক
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে একটি রাজনৈতিক দল মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার করে ভোটার প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। একই সঙ্গে ভোটারদের এনআইডি ও ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ ও অপব্যবহারের আশঙ্কা প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন সোমবার গুলশানে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি প্রতীককে জয়ী করাকে ‘ঈমানি দায়িত্ব’ বলা এবং ভোটকে কবরের জবাবের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং নির্বাচনের স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তিনি এ ধরনের কার্যকলাপকে ‘অসৎ প্রভাব বিস্তার’ হিসেবে উল্লেখ করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
ড. মাহদী আরও জানান, ভোটারদের এনআইডি কার্ড কপি, মোবাইল ফোন ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করা হচ্ছে, যা ব্যবহার করে ভুয়া ভোট ও আর্থিক প্রলোভনের মাধ্যমে ভোট প্রভাবিত করার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি বলেন, বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করা হয়েছে এবং তাদের প্রতিক্রিয়া পাওয়ায় ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।
তবে ভোটকেন্দ্রে স্থানীয় বাসিন্দা, আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের দায়িত্ব দেয়া নিয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করে বলেন, এতে নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে, তাই নিজ থানার বাইরে দায়িত্ব দেয়ার দাবি জানিয়েছে বিএনপি।
আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি ২৯২টি আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে ৮৫ জন সাবেক সংসদ সদস্য এবং ১৯ জন এর আগে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া ২৩৭ জন প্রার্থী ন্যূনতম স্নাতক সম্পন্ন করেছেন।
ড. মাহদী বললেন, বিএনপি গত সরকারের আমলে সবচেয়ে বেশি গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে এবং তাদের অধিকাংশ প্রার্থী স্বৈরাচারী শাসনের নিপীড়নের মুখে পড়েছেন।