নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে সরকারের সর্বোচ্চ প্রস্তুতির কথা বলছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

ভোটের নিরাপত্তায় রেকর্ডসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রযুক্তির ব্যবহার

নিজস্ব প্রতিবেদক


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করতে সরকার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, এবার রেকর্ডসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাসম্পন্ন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্বে রাখা হয়েছে, যাতে যেকোনো বিশৃঙ্খলা বা সহিংসতা দ্রুত ও কঠোরভাবে প্রতিহত করা যায়।

ড. ইউনূস বলেন, নির্বাচনের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রথমবারের মতো সারা দেশে ব্যাপকভাবে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা বডি ক্যাম ব্যবহার করছেন। পাশাপাশি নজরদারিতে ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড মোতায়েন থাকবে।

তিনি জানান, এসব উদ্যোগের লক্ষ্য হলো ভোটাররা যেন নির্ভয়ে ও মর্যাদার সঙ্গে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

নির্বাচনকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে সরকার ‘ঐতিহাসিক’ পদক্ষেপ নিয়েছে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, প্রথমবারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশিরা ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সব নেতা-কর্মীকে সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কেন্দ্র দখল, ভোটে প্রভাব বিস্তার ও গুজব ছড়ানো থেকে বিরত রাখতে কঠোর নির্দেশনা দিতে হবে।

ভাষণের শেষে ড. ইউনূস বলেন, ভোটাধিকার কারও দয়া নয়, এটি সংবিধানপ্রদত্ত মৌলিক অধিকার। অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করা শুধু সরকারের নয়, রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব।


প্রধান উপদেষ্টাসহ সব উপদেষ্টার সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করা হয়েছেপ্রধান উপদেষ্টাসহ সব উপদেষ্টার সম্পদ বিবরণী প্রকাশ
jatiya-party-supports-rumeen-farhana.jpgএবার রুমিন ফারহানাকে সমর্থন দিল জাতীয় পার্টি