রাজনৈতিক বিভাজনে স্বৈরাচারী শক্তি লাভবান হবে বলে বক্তব্য দিচ্ছেন ইশরাক হোসেন

স্বৈরাচার ঠেকাতে ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরলেন ইশরাক হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা-৬ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, রাজনৈতিক বিভাজন সৃষ্টি হলে স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শক্তি তার সুফল পাবে এবং এতে দুঃশাসনের পথ আবারও সুগম হতে পারে। তিনি জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ঢাকা আইনজীবী সমিতি ভবনে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

ইশরাক হোসেন বলেন, পারস্পরিক সম্মান নষ্ট ও বিভাজন সৃষ্টি হলে কারা লাভবান হবে—তা সবাইকে ভেবে দেখতে হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যারা অতীতে দেশকে দুঃশাসনের দিকে ঠেলে দিয়েছে, তারা ফিরে এলে দেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।

তিনি বলেন, রাজনীতি ও আইন অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। সংসদে যাওয়ার সুযোগ পেলে আইনজীবীদের পরামর্শ ও দিকনির্দেশনায় কার্যকর আইন প্রণয়নে ভূমিকা রাখতে চান তিনি। ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের কথা উল্লেখ করে ইশরাক বলেন, একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়তে শক্তিশালী সংসদ ও আইন প্রণয়ন অপরিহার্য।

বিএনপির বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ না থাকায় নতুন কিছু রাজনৈতিক শক্তি বিএনপিকে টার্গেট করছে। এমনকি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাকে ও দলের শীর্ষ নেতাদের হত্যাকাণ্ডে জড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ইশরাক হোসেন বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর বিএনপি ও সমমনা দলগুলো আন্দোলন-সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছে এবং নানা নির্যাতনের শিকার হলেও জনগণের ইস্যুতে রাজপথ ছাড়েনি। তিনি অভিযোগ করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমানকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

সভায় উপস্থিত আইনজীবী ও নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সুযোগ পেলে জনগণের প্রত্যাশার বাইরে কোনো কাজ তিনি করবেন না। অনুষ্ঠানে বিএনপি ও আইনজীবী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।