দীর্ঘ ১৮ বছর পর জাতীয় প্যারেডদীর্ঘ ১৮ বছর পর জাতীয় প্যারেড

রাষ্ট্রপতির সালাম গ্রহণ, প্রধানমন্ত্রী দর্শক সারিতে; ফ্লাইপাস্ট ও ফ্রিফল জাম্পে মুগ্ধতা

নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘ ১৮ বছর পর মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকার জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য ও জাঁকজমকপূর্ণ কুচকাওয়াজ।

বৃহস্পতিবার বিকেলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কুচকাওয়াজের সালাম গ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দর্শক সারিতে বসে পুরো আয়োজন উপভোগ করেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা, সশস্ত্র বাহিনী, আধা সামরিক বাহিনী এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যদের অংশগ্রহণে কুচকাওয়াজে জাতীয় ঐতিহ্য ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠান শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায়।

আইএসপিআর জানায়, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের নির্দেশনায় কুচকাওয়াজটি আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯ পদাতিক ডিভিশন অনুষ্ঠানটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিল।

কুচকাওয়াজে প্যারেড কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ৯ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ও সাভার এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল এস এম আসাদুল হক। প্যারেড উপ-অধিনায়ক ছিলেন ৭১ মেকানাইজড ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শাফকাত-উল-ইসলাম।

এবারের কুচকাওয়াজে বিভিন্ন বাহিনীর মোট ২৫টি কন্টিনজেন্ট রাষ্ট্রপতিকে সালাম প্রদান করে। সম্মিলিত যান্ত্রিক বহরের নেতৃত্ব দেন ৯ আর্টিলারি ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আনোয়ার উজ জামান।

সুসজ্জিত বাহনে চড়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সালাম প্রদান এবং সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিক সমরাস্ত্র প্রদর্শনী ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ।

এছাড়া আর্মি এভিয়েশন, নেভাল এভিয়েশন, বিজিবি এয়ার উইং ও র‍্যাব ফোর্সেসের ফ্লাইপাস্ট এবং প্যারা কমান্ডো সদস্যদের দুঃসাহসিক ‘ফ্রিফল জাম্প’ দর্শকদের মুগ্ধ করে।

পরবর্তীতে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর মনোজ্ঞ ফ্লাইপাস্ট ও এরোবেটিক ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়, যার নেতৃত্ব দেন এয়ার কমোডর মেহেদী হাসান।

অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন ও রেডিওতে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর প্রধান সড়ক ও জাতীয় প্যারেড স্কয়ার এলাকায় স্থাপন করা হয় ব্যানার ও বিলবোর্ড। এছাড়া প্যারেড গ্রাউন্ডে বিভিন্ন বাহিনীর কর্মকাণ্ডের আলোকচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠান সফল করতে গণপূর্ত অধিদপ্তর, পিডিবি, ঢাকা ওয়াসা, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনসহ বিভিন্ন সংস্থা সহযোগিতা প্রদান করে।


২০২৯ পর্যন্ত ক্ষমতায় রাখতে ‘ডিপ স্টেট’ সাজিয়েছিল নীলনকশা: আসিফ
স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধ ও জিয়া উদ্যানে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর
দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন রুহুল কুদ্দুস কাজল