গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে ঐক্যের ডাক, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা
বাবারা নির্বাচন করো, দেশের কথা বলো, গীবত গেয়ে গুনার দরকার নাই : মির্জা আব্বাস
নিজস্ব প্রতিবেদক
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এই নির্বাচনই নির্ধারণ করবে দেশে জবাবদিহিমূলক সরকার হবে কি না এবং ভবিষ্যতে দেশ কোন পথে এগোবে। কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে অবশ্যই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, গত ১৫ বছরে দেশে প্রকৃত উন্নয়ন হয়নি; তথাকথিত মেগা প্রকল্পের আড়ালে হয়েছে মেগা দুর্নীতি। এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। দুর্নীতি দূর করে দেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপির শাসনামলের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধু একটি অঞ্চল নয়, সমগ্র বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে। দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে এবং চাকরিসহ সব কিছু যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রদান করা হবে। তাঁর অভিযোগ, গত ১৫ বছরে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ সব সেক্টর ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।
বক্তব্য শেষে তিনি বগুড়ার সাতটি আসনের ধানের শীষের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং ভোট ও দোয়া কামনা করেন।
এর আগে রাজশাহী ও নওগাঁর জনসভা শেষে তারেক রহমান স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে জনসভাস্থলে পৌঁছান। এ সময় হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। তিনি হাত নেড়ে উপস্থিত জনতাকে শুভেচ্ছা জানান।
জনসভায় শুরুতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। বগুড়া-৬ (সদর) আসনে প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় তারেক রহমানকে ঘিরে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশার সভাপতিত্বে এবং সহিদ উন নবী সালাম ও কেএম খায়রুল বাশারের সঞ্চালনায় জনসভায় বিএনপির কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং বগুড়ার বিভিন্ন আসনের প্রার্থীরা বক্তব্য দেন।
আরও নিউজ পড়ুন:-
ভোট দিলে ‘বিয়ের ব্যবস্থা’ করতে চান আশা মণি, নেটদুনিয়ায় আলোচনার ঝড়